Skip to main content

Posts

Showing posts from 2023

ডেভেলপ এটিচিউড উইথ নলেজ

 আমরা সচরাচর এ ধরনের ঘটনা নিয়ে বিশ্লেষণ করি না।   ঘটনা: ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিনিক্সে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, গান গাইতে গাইতে তিন সন্তানকে হত্যা করেছেন মা। তার নাম রাচেন হেনরী। আর এ নিয়ে তার কোনও অনুশোচনাও নেই। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সন্তানদের নিথর দেহগুলি লিভিং রুমে টেনে এনে শুইয়ে রেখেছিলেন হেনরি। পুলিশ খুনের বর্ণনা দিয়ে জানান, হেনরির তিন বছরের ছেলে তার ছোট বোনকে খুন করার সময় মাকে অনুরোধ করেছিল যে খুন না করে। কিন্তু মা শোনেননি। ১ বছরের মেয়ে শ্বাস নেওয়া বন্ধ করলে হেনরি চলে যান বেডরুমে। সেখানে তিন বছরের ছেলেকে বাগে পেতে তার খানিকটা সময় লেগেছিল। শিশুটির বাবা এবং ফুফু প্রায় দরজার কাছে চলে এসেছিলেন। এরপর তাদেরকে মিথ্যে কথা বলে ছেলেকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে যান মা। সেখানে নিয়ে গিয়ে গলার নলি কেটে দেন মহিলা। যাতে চিৎকার কারও কানে না যায় সেজন্য গান গাইছিলেন নারী। এরপর স্বামী ও তার বোনের সঙ্গে লিভিং রুমে এসে বসে বসে গল্প করেন ওই নারী। এরপর তৃতীয় সন্তানকে খাওয়ানোর নামে ঘরের ভেতর যান তিনি। এই বাচ্চাটি ৭ মাস বয়সী। ঘরের ভিতর ওই সন্তানকেও হত্যা করেন। বাড়ির বাকিরা বাচ্চা...

মরীচিকার পেছনে ছুটো না ওগো প্রিয়

আমাদের কর্মস্পৃহা:  আমরা সুখের চেয়ে সম্মানকে বেশি গুরুত্ব দিই। আমরা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছি জীবিকার তাগিদে। ভোরে ঘুম থেকে ওঠে খাওয়ামাত্রই কাজে নেমে পড়ছি। সারাদিন শারীরিক-মানসিক শ্রমের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছি। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে রাতটুকু বিশ্রাম নিয়ে আবার সকালে কাজে লেগে পড়ছি। এভাবে দিন-রাতের আবর্তনে আমাদের নির্ধারিত আয়ু শেষ হচ্ছে। আমরা আয়েশী জীবন ত্যাগ করেছি, বিশ্রাম ত্যাগ করেছি। আমরা ছুটে চলছি অর্থ-বিত্তের পেছনে, ক্ষমতার পেছনে, আমরা উঁচু আসনে বসার প্রতিযোগিতায় ছুটে চলছি। কারণ, আমরা সম্মান এবং মর্যাদা পাবার আশায় এই পরিশ্রান্ত পথে ছুটছি। এই ভেবে করছি যে, অর্থ-বিত্ত, ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, প্রসাদ এসবেই মানুষের মর্যাদা আবর্তিত। ভাবছি, টাকা-পয়সা না থাকলে কেউ সম্মান করে না। আমাদের ভাবনাটা একেবারে অবান্তর নয়, অনেকটা ব্যবহারিক।    কর্মস্পৃহার বাস্তবতা:  অর্থ-বিত্ত কতখানি সম্মান ও মর্যাদার আসন ধরে রেখেছে তা যাচাই করতে কতিপয় উদাহরণ বলা যেতে পারে। যেমন- জামালপুর জেলার সাবেক জেলা প্রশাসকের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর তার সম্মান কতটুকু সেটা সমাজ বিচার করে। একইভাবে আমি বলতে পারি ...