পবিত্র কুরআনের একটি গুরুত্বর্পূণ আয়াত হচ্ছে,
“হে বিশ্বাসীগণ,
যদি কোনো ফাসেক কোনো সংবাদ নিয়ে আসে তবে তা যাচাই করো যেন তোমরা অন্য কোনো
সম্প্রদায়ের উপর ক্ষতি করে না বসো এবং তোমাদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হতে না হয়” ( ৪৯:১০)
এছাড়াও এই সূরায় কাউকে মন্দ নামে ডাকা, কাউকে উপহাস করা, গীবত করা, পরচর্চা করা, অহেতুক ধারণা করা ইত্যাদি বিষয় কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে কোনো
কোনো ধারণা পাপ পুরো একটা
সূরা নিয়ে কথা বলা, তার শানেনূযুল, এবং তার জন্য প্রণীত আইন নিয়ে কথা বলা আমার পক্ষে অসম্ভব আর মানবসমাজের সামাজিক
শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য এইসব নসীহতের গুরুত্ত্ব বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে
অন্তত এটি বলা যায় যে, এইসব
আল্লাহতায়ালা নিষেধ করেছেন। তাহলে কোনো মুসলমানের বা মানুষের এটি উচিত নয় যে, কোনো কথা শোনার
সাথে সাথে তার সত্যতা যাচাই না করে তার প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে না। কিন্তু
আজকে আমরা যা দেখি দেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উপর হামলা হয়েছে গুজবের
কারণে। অবাক
হওয়ার মত বিষয় হচ্ছে সরাসরি কুরআনের আয়াত থাকার পরও আমরা এই কাজই করছি যে, একটি সম্প্রদায়ের
উপর হামলা করা। হ্যাঁ, কেউ
ব্যক্তিগতভাবে দোষ করলে তার শাস্তি ঐ ব্যক্তি পাবে, পুরো সম্প্রদায় নয়।
তার চেয়ে ভয়ানক বিষয় হচ্ছে, হুট করে কাউকে নাস্তিক ট্যাগ দেয়া। সম্প্রতি আমরা দেখি একজন টিভি অভিনেতাকে অনেকেই নাস্তিক
ট্যাগ দিচ্ছে! কিন্তু
কেন ভাই? একজন
মানুষকে নাস্তিক ঘোষণা দেয়ার অধিকার তো ইসলাম কোনো ব্যাক্তিকে দেয় নাই যে ব্যক্তি
নিজেকে নাস্তিক বলে ঘোষণা দেয় নি। এটা ইসলাম , পাশ্চাত্যের
মধ্যযুগের চার্চ কেন্দ্রিক বিকৃত খ্রিস্টবাদ নয়। এখানে মানুষের মাঝে বর্ণপ্রথা নেই। এখানে সব মানুষের সমান মর্যাদা ঘোষিত হয়েছে অনেক আগে। পুরোহিতরা
যা বলবে তা এখানে আইন নয়। এখানে প্রতিটি আইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লেখা আছে। এই একই সূরায় কাউকে উপহাস করতে পযর্ন্ত নিষেধ করা হয়েছে। বলা
হয়েছে,
কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষকে উপহাস না করে এবং কোনো নারী
যেন অপর নারীকে উপহাস না করে কেননা উপহাসকারী অপেক্ষা সে উত্তম হতে পারে।”
আর এটিই বাস্তব যে,
আমাদের ধারণা সঠিক নাও হতে পারে। আমি যাকে নিকৃষ্ট ভাবছি সে আল্লাহর কাছে উৎকৃষ্ট আর আমি নিকৃষ্ট হতে পারি। সুতরাং
সবকিছুর মালিক আল্লাহতায়ালা,
আর আমি তার বান্দামাত্র। তবে আশার দিক হচ্ছে আমাদের আলেম সমাজ এই ধরনের অপরাধ থেকে মুক্ত। সাম্প্রদায়িক
হামলাগুলোতেও আমাদের আলেম সমাজ নয়, ধর্মনিরেপক্ষবাদী নেতাই জড়িত থাকে।
সম্প্রতি একটা গোষ্ঠিকে দেখা যাচ্ছে, “ পোশাক নয়, মানুষের
মানসিকতায় ধর্ষণের জন্য দায়ী” এই স্লোগানে এগিয়ে আসছে। তার একটা উল্লেখযোগ্য অংশ আবার
প্রতিনিয়ত ধর্ম এলার্জিতে ভোগে। দেখা যাক তার বাস্তবতা কতটুকু। এবং মানসিকতার ব্যাপারে
ইসলাম কি বলে।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, এরপর অন্য কোনো নারী
আপনার জন্য হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও
তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে। (৩৩:৫২)”
কুরআনে অসংখ্য আয়াত আছে যা ধর্ষণ, ব্যভিচার
প্রভৃতিকে কঠোরভাবে নিষেধ করে তারপরও এটি বলার কারণ হচ্ছে , এখানে
একটি কথা বলা হয়েছে “যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে”।অর্থাৎ সে সময়
নারীরা মুখ ঢেকে চলাফেরা করত না। আমরা অনেক হাদীসে দেখি রাসুল(স) অনেক সাহাবীকে নারীদের
দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে দেন। আর এই আয়াতেও আমরা দেখি কারো রূপলাবণ্য মুগ্ধ করলেও তার প্রতি কুদৃষ্টিও বা শারীরিক
সম্পর্ক হারাম।এমনকি কোনো রমণী কাপড় ছাড়া থাকলেও তাকে বলাৎকার করার অধিকার কোনো পুরুষের নেই আল্লাহ হিজাবের
বিধান দিয়েছেন শালীনতার জন্য, ধর্ষক থেকে পালিয়ে থাকার জন্য নয় ধর্ষকের ভয়ে একজন নারী তার হাত-মুখ
ঢেকে রাখবে, তার কাজ বন্ধ রাখবে তা ইসলামের পরিপন্থী ধর্ষকের কাছে
সমাজকে হারতে দেয়া যাবে না আমি নেকাবের বিরোধিতা করছি না। নিকাব মানে যদি মস্তকবন্ধনী হয় তাহলে ভিন্ন। ইসলাম অযথা
বাড়াবাড়ি পছন্দ করে না। আর শালীনতার জন্য একজন নারী তার হাত, পা,
মুখ ছাড়া বাকী দেহ ঢেকে রাখবে এবং বুকের উপর চাদর জড়িয়ে রাখবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কেউ যদি
তার সবকিছু ঢেকে রাখতে চায় তাহলে সেটি তার উৎকৃষ্ট লজ্জাশীলতা।
সর্বোপরি কথা হচ্ছে, নারী তার ইচ্ছামতো থাকলেও তাকে বলাৎকার করার
অধিকার কারো নেই। কেউ যদি ধর্ষণ ইস্যুটাকে পোশাকের জন্য বলে উড়িয়ে দিতে
চায়, তখন তাকেও এর জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানাবো।
আবার যারা বলেন, “পোশাক নয়, মানসিকতাই
ধর্ষণের জন্য দায়ী” তাদের কাছে প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষের মানসিকতা কি সহজাতই নষ্ট নাকি পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমাদের জানতে হবে। অন্যথায় মরা গাছে পানি ঢেলে কোনো লাভ হবে না। যদি বলেন
সহজাতই নষ্ট তাহলে তাদের কাছে জানতে চাইব, তারা কেন নষ্ট নয়? আর
আমার এই লেখা তাদের জন্য নয়। কেননা সব মানুষ কখনো হেদায়াত হবে না। আর আমাদের ধর্মও বলে অনেকে দোযথেও যাবে।
এটা প্রত্যাশিত যে প্রকৃত মানবতাবিরোধীরা ছাড়া বাকী সকলে পরিবেশের
ভূমিকা স্বীকার করবেন। তাদের সাথে তাহলে কিছু সময় কাটানো যায়। কথাচ্ছলে আমরা একটু পুরোনোদিনে ফিরে যাই। আগেকার রাজা-বাদশাহগণ,
মহাজনরা তাদের বিনোদনের জন্য নর্তকীদের আসর বসাত এবং শুরা পানের আয়োজন
করত। নর্তকীরা
তাদের শরীরের বিভিন্ন সৌষ্ঠব প্রদর্শনের মাধ্যমে বাদশাহদেরকে বিনোদিত করত। কিন্তু এখন
ছক পাল্টেছে। এসব নর্তক-নর্তকীরাই
এখন সমাজের আদর্শমানব।এটাই মানসিকতার বিবর্তনের প্রকৃষ্ট উদাহারণ। এই পরিবর্তন একদিনে হয়ে ওঠে নি।
আমার লেখার বিষয় ছিল ধর্ষণের অনুঘটক কি? পোশাক
নাকি মানসিকতা নাকি আরো কিছু ।এই বিষয় বলার আগে কিছু বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা চাই।প্রথমত, কোন
কোন বিষয় মানুষকে যৌন উন্মাদ করে আর তার প্রকৃতি কেমন। আগের লেখার
রাজাবাদশাহদের দেখি তারা নর্তকীদের সৌষ্ঠব ভোগ করেই ক্ষান্ত হতো। এসময় বাদ
যেত না বাঁদী-দাসী কেউই। রুচিবোধ বাধতো না। আজকেও দেখি বাদ যাচ্ছে না কেউ্ই। শিশু, বৃদ্ধা বা কুমারী। তারা আমাদের
মা,
বোন, সহধর্মিনী। কিন্তু আজকে রাজাবাদশাহ নয়, এসবে যারা জড়িত তারা
সমাজের যুবসমাজের একটি অংশ। এমন একটা দিনও যাচ্ছে না, যেদিন খবরের কাগজে এসব আসছে
না। প্রতিবাদ
হচ্ছে, তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে কিন্তু তা বন্ধ হচ্ছে না। তার কিছু
সুক্ষ্ম কারণ বের করলে আমরা পাই:
১. বিচারহীনতার সংস্কৃতি: বিউটির উদাহারণটি এখানে যথেষ্ট। শুধুমাত্র বিচার চাওয়ার কারণে আবার ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।বিচার চাওয়াটা পযন্ত
কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কতটুকু যৌন উন্মাদ হলে তা হয়। পূজাকে ব্লেড দিয়ে কেটে ধর্ষক আজ জামিন পেয়েছে। আমি এক ধর্ষণ মামলার আসামিকে জানতার যার ৩২ বছর সাজা হয় এবং
২ বছর জেল কেটে জামিনে মুক্তি পায়। সমস্যা মূলত আইনে।
২. অশ্লীলতা: প্রতিটা ক্ষেত্রে
অশ্লীলতা আজ চরম পর্যায়ে। এটিও একদিনে হয়ে ওঠে নি।একটা গ্রুপ এসবকে প্রমোট করছে। মানুষকে অশ্লীল করার জন্য আগে তার লজ্জাটা শেষ করে দিতে হয় এবং তা করেও দেয়া হয়েছে। এবং সেটিও
অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। এক্ষেত্রে তারা মিডিয়াকেই ব্যবহার করেছে এবং করছে। আগেও তারা ঈদকে টার্গেট করত এবং ঈদসংখ্যায় তারা যা লেখা ছাপতো
এবং যা ছবি ব্যবহার করতো তা শ্লীল বলাটা কঠিন হতো এবং পাঠক যারা থাকবে তাদের যদি যৌন
উন্মাদনা না আসে তবে তা অতিমানবের পরিচয় যা খুবই নগণ্য।অবশ্য তাদেরও লক্ষ্য ছিল ইন্ডিয়ান শাড়ির বিক্রয় প্রসার। গল্পে নায়িকা
যে রকম শাড়ি পরিহিত ছিল বাজারেও ঠিক একই জিনিস আসতো। প্রথমত, তা কোনো উপলক্ষকে কেন্দ্র করে হলেও পরে তা সচরাচর
হয়ে যেত। বছরের পর বছর এইভাবে চলছে। আজও চলছে ইন্ডিয়ান চ্যানেলে, ওখানের মতই কাপড় আমাদের মহিলাদের।আর বিজ্ঞাপন গুলো “দেখিয়ে
দাও অদেখা তোমায় টাইপের”। আর র্যাম্প শো, ফ্যাশন শো নামে প্রতিনিয়ত একটা
জাতিকে যৌন সুড়সুড়ি দেয়া হচ্ছে। ওখানে কি হয় তা আপনি আমি সবাই জানি।
আচ্ছা, আপনাদের খেয়াল আছে? ৮-১০ বছর আগে পত্রিকার শিরোনাম হত ইভটিজিং। কিন্তু আজকে তা ধর্ষনে গিয়ে পৌঁছেছে।হয়ত এই কারণটাও পরিষ্কার যে অশ্লীলতার সাথে সাথে নারী নিপীড়নটাও
পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। এই সত্যটা কি বুঝার উপলব্ধি কি আমাদের হবে না? আমি তাদের পক্ষ নিচ্ছি
না। শুধু কারণগুলো
অনুসন্ধান করছি।ইভটিজিং এর কারণটাও একটু পরিষ্কার করা দরকার। সেটিও নাটক, সিনেমার সৃষ্টি। নাটক সিনেমায়
যা দেখানো হয়, নায়ক নায়িকাকে ফুল দিয়ে বা রাস্তায় দাড়িয়ে শিস দিয়ে নায়িকার দৃষ্টি
আকর্ষণের চেষ্টা করা হয়। নারী-পুরুষের পর্দা বা লজ্জা দূর করার জন্য এসব ছিল মূল হাতিয়ার।যার ফলস্বরূপ এসবের
দর্শকরা কমবেশি তার বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কেউ প্রেমিক বনে যেত আবার কেউ অপমাণিত হয়ে
যা করার তাই হত। আর এটিও তাদের আবিষ্কার যারা, “পোশাক নয়, মানসিকতাই
ধর্ষণের জন্য দায়ী” স্লোগানে এগুচ্ছে।
তার সাথে জড়িত আছে পারিবারিক মূল্যবোধ। একসময় এসব নাটক সিনেমা দেখার সময় পরিবারের মুরব্বীদের সম্মানে
একটু দূরত্ব বজায় রাখতো কিন্তু প্রজন্ম পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে পুরো পরিবার একসাথে
এসব দেখছে এবং এসবকে স্বাভাবিক বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। লজ্জাবোধটুকুও শেষ করে দিল।আর তারাই এসে আজকে
নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলে । কুমিরের মায়াকান্না। হাসি পেলেও হাসার অবস্থা নেই কারণ সবকিছুই শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাদের যে
লজ্জা হবে না সেটি ঠিক্। নর্তক-নর্তকীদের আবার কিসের লজ্জা! ধর্ষণের অনুঘটক
হিসেবে তাদেরও শাস্তি হওয়া উচিত।
এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে তাদের উত্তরসূরীরা কি লিখছে তা নতুন
করে বলার অপেক্ষা রাখে না।আর ইন্টারনেটে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে অশ্লীল ভিডিও। সরকার তার বিরুদ্ধে পরিচালিত অনেক সাইট বন্ধ করে রাখলেও এসব
সাইট বন্ধ করে প্রগতির বিরুদ্ধে কাজ করার মত অজ্ঞ নয়। একজন মানুষকে যৌন উন্মাদ বানানোর সব রাস্তা পিচ্ছিল করে দিয়ে
অন্ধের মত এসব কেন হচ্ছে বলে মিথ্যা বুলি আওড়ানো হচ্ছে।
৩. সাজসজ্জা প্রদর্শন: একজন
নারী সাজবে সেটিই স্বাভাবিক। আর সাজলে তাকে সুন্দর, আকর্ষণীয় ও লাবণ্যময়ী লাগে। এই কারণে
সে সাজে। আচ্ছা, তার
নিজের চেহারা তো সে আয়না বা প্রতিফলন ছাড়া দেখে না।তাহলে সে এসব কাকে দেখানোর জন্য সাজে? আগেও
মহিলারা সাজত তবে তা নিভৃতে, ভালোবাসার ও প্রাণের মানুষের জন্য। একদিন আমার
এক বন্ধুকে এক রমণী এসে বলে, “আমি কি সুন্দরী নই?” লজ্জা-শরম তো শেষ করেছে অনেক আগে। এখন তারা
যে শুধুমাত্র পদচারণা বা কর্মক্ষেত্র পর্য্ন্ত তাদের প্রদর্শন করছে না, সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে দূর-দূরান্ত ছড়িয়ে দিচ্ছে যেগুলো
বেশ সেজেগুজে যে ছবিটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং লাবণ্যময়ী। আবার মানুষকে বলার জন্য উন্মুক্ত করে দিচ্ছে তাকে দেখে কেমন
লাগছে।এবং মন্তব্যও
করছে যে যার মতো।যারা নারীকে প্রদর্শন করালে তার প্রতি আকর্ষণ হয় এই চিন্তার বিরোধিতা করেন তারাই
আবার বিজ্ঞাপনে, রিসিপশনে নারীদের ব্যবহার করেন।
৪. মাদক ও মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা
৫. নৈতিক শিক্ষার অভাব: নীতি-নৈতিকতাহীন ভোগবাদী শিক্ষাব্যবস্থা পরিমল তৈরী করছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
এই ধর্ষকরা আমাদের বোনদের লাবণ্য দেখতে চায় তারা বোরকা পরা বন্ধ করতে চায় কাউকে বাধ্যতামূলক
বেপর্দা করা বা আবৃত করা শাস্তিযোগ্য
আমি নারী স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নই, শুধুমাত্র
সংযত হওয়া নিয়ে কথাগুলো লেখা। স্বাধীনতা ও সংযত হওয়া বিপরীত নয়। সংযত হওয়াটাই প্রকৃতির নিয়ম, অসংযত হওয়াটাই প্রকৃতিবিরুদ্ধ
নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য। ধর্ষণ করাটা অসংযত এবং প্রকৃতিবিরুদ্ধ। এসবের জন্য দায়ী এই সমাজব্যবস্থা, লজ্জাহীন ও অসংযত পুরুষ সমাজ আবার কেউ যদি নারীর পোশাক নিয়ে কথা বলেন তখন আমি পুরুষের দৃষ্টি ও লজ্জাস্থান সংযত করা নিয়ে কথা বলব আগে পুরুষের পর্দা নিশ্চিত করা হোক
আর ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড করা হোক এবং তার অনুঘটকসমূহও বন্ধ
করা হোক।
Comments
Post a Comment